৮ই জুলাই, ২০২০ ইং, ২৪শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ


৭২ ঘণ্টার মধ্যেই মেডিকেল ভর্তির ফল প্রকাশের আশা

ডেস্ক রিপোর্ট» নজীরবিহীন নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে রাজধানীসহ সারাদেশে সুষ্ঠুভাবে সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ পরীক্ষার ফলাফল ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ।

শুক্রবার দুপুরে জাগো নিউজের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, সারাদেশে ১৯টি কেন্দ্রের ২৯টি ভেন্যুর ৮১৪টি কক্ষে সুষ্ঠুভাবে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বা বাইরের কোথাও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় তারা সবাই খুব খুশি বলে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন তিনি।

স্বাস্থ্য মহাপরিচালক জানান, চলতি বছর ১০০ নম্বরের নৈব্যক্তিক প্রশ্নপত্রে অনুস্ঠিত পরীক্ষায় প্রায় ৬৬ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এবার পরীক্ষার খাতা বৃহস্পতিবার (পরীক্ষার আগের দিন) রাতে পৌঁছেছে এবং পরীক্ষা শেষে আগে আগেই খাতা নিয়ে রওনা হচ্ছে। গতবার পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্টরা দুপুরের খাবার খেয়ে রওনা হয়। কিন্তু এবার লাঞ্চ না করেই রওনা দিতে অনুরোধ জানানো হয়। প্রয়োজনে গাড়িতে প্যাকেট লাঞ্চ খেয়ে নিতে বলেছেন। তাই এবার গতবারের চেয়ে আগেই ঢাকার বাইরে থেকে পরীক্ষার খাতা এসে স্বাস্থ্য অধিদফতরে পৌঁছাবে।

রাজধানীর মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদফতর প্রধান কার্য়ালয় থেকে শীর্ষ দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পরীক্ষার উত্তরপত্র বহনকারী ট্রাংকবাহী গাড়িগুলো মনিটরিং করছেন।

পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ কবে নাগাদ হবে জানতে চাইলে তিনি জানান, যথাসম্ভব দ্রুত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে। সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ বলতে রাজি না হলেও আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফলাফল প্রকাশের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের বিষয়টি পরীক্ষার মডারেটরদের ওপর নির্ভর করছে।

তিনি আরও জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি পৃথক তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ দল পরীক্ষার খাতাগুলো বিশেষ মেশিনে পরীক্ষার করে দেখবেন। দুই গ্রুপের ফলাফল অভিন্ন হওয়ার পর চুড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হবে।

এ বছর সরকারি ৩৬টি কলেজে ৪ হাজার ৬৮টি ও বেসরকারি ৬৯টি কলেজে ৬ হাজার ২৩২টি আসনসহ মোট ১০ হাজার ৩০০ আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি হবে। পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে জাতীয় মেধা তালিকা তৈরি করে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।